পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই মেসার্স এইচ কে আলী ব্রিকস, সাং পাঁচথুবী, পোঃ কুমিল্লা , থানাঃ আদর্শ সদর, জেলাঃ কুমিল্লা। বছরের পর বছর চলছে ইটভাটা। এসব ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে গাছ। ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন আশপাশের বাসিন্দা ও স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
মৃত্তিকা ও পরিবেশবিষেশজ্ঞদের দাবি, নদী, খাসজমি দখল বা ফসলি জমিতে যে হারে ইটভাটা স্থাপন
হচ্ছে তাতে পরিবেশ যেমন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তেমনি মাটির উর্বরতা হারিয়ে ফসলহানির শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ফসলি জমি রক্ষায় ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে বলেও মনে করেন তারা।কুমিল্লার কয়েকটি ইটবাটা ঘুরে দেখা গেছে, পরিবেশ আইন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বেশির ভাগ ইটভাটা জনবসতি এলাকা, স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসার পাশে ও ফসলি জমিতে স্থাপিত হয়েছে। গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে আসছে এবং ফসলি জমির টপ সয়েল কাটা হচ্ছে অবৈধভাবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুমিল্লার সভাপতি বদরুল হুদা জেনু বলেন, খাসজমি দখল বা ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। আবাসিক এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি ইটভাটা স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অনেক ইটভাটায় আইন ভঙ্গ করে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। এতে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে।
কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশ অধিদপ্তরের, কুমিল্লা জেলা কার্যালার উপপরিচালক মোসাব্বের হোসেন মুহাম্মদ রাজীব বলেন, পরিবেশের ছাড়পএ ছাড়াই অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম চলছে এবং রাজনৈতিক চাপের অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন। আমরা অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এছাড়া প্রতি বছর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। যেসব ভাটা ছাড়পত্র না নিয়ে চলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এবং ফসলি জমিতে অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
৫ দিন আগে বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
