Daily Bangladesh Mirror

ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জাতীয়

আগামীর বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে অবিরাম কাজ করে যাব : ডিজি মাউশি

শেখ ফরিদ উদ্দিন:
৩ ঘন্টা আগে সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬
# ফাইল ফটো




আগামীর বাংলাদেশ গঠনে  শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়ন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে অবিরাম কাজ করে যাব।

 

প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপ কালে কথাগুলো বলছিলেন  মাউশির ডিজি ড. সোহেল।


তিনি আর-ও বলেন, শিক্ষা   ব্যাবস্থাকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর এবং বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাসহ

সকলে মিলে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।  শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী করা, প্রযুক্তি নির্ভর ও কারিগরি শিক্ষা ব্যাবস্থা  প্রবর্তন করে শিক্ষার্থীদের  বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মত তাদের প্রস্তুত করা সরকারের অন্যতম ভিষন।  


এ লক্ষ্যে শিক্ষা  মন্ত্রনালয় ব্যাপক উন্নয়ন  কর্মসূচী গ্রহণ করেছে । ইতোমধ্যে মন্ত্রনালয়ের দূর্নীতি দমন, বন্চিত  শিক্ষকদের  মূল্যায়ন,শিক্ষকদের  জীবন মান উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের ন্যায্য  পাওনা  পাওয়ার ব্যাবস্থাসহ পাবলিক পরীক্ষা নকল মুক্ত এবং পরীক্ষায় বিভিন্ন বিশৃংখলা দূর করে শুষ্ঠ পরিবেশ ফিরে আসছে।  


দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ালেখার মানোন্নয়নে  মন্ত্রনালয়ের তদারকি করার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।        


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক   ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ  সোহেল   শিক্ষা  ক্যাডারের বিসিএস কর্মকর্তা। ২০০১ সালে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন যখন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, সে সময়  সোহেল তার  এ.পি.এস. ছিলেন।  এহছানুল হক মিলন নীতি,আদর্শ ও যোগ্যতার মানদণ্ডের বাছবিচারে ছাত্রজীবন থেকেই নীতি আদর্শে প্রতিষ্ঠিত  সোহেলকে এ.পি.এস. এর দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বিএনসিসির মাধ্যমে ছাত্রজীবন থেকে নীতি আদর্শের  মানবিক  জীবন গড়ে তোলেন  স্কাউটস  নেতা সোহেল। 


২০০১-০৬ বেগম খালেদা জিয়ার সরকার থাকাকালীন সময়ে এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে সরকারি কোন সংস্থা কিংবা জনগণের পক্ষ থেকে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির কোন অভিযোগ উঠেনি।একই সাথে তার পি.এস. এবং এ.পি.এস. এর বিরুদ্ধেও কোন অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।এটা অবশ্যই শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সফলতা ও যোগ্যতার প্রমাণ। একজন মন্ত্রীর সফলতার পিছনে তার পিএস ও এপিএস এর ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  যেহেতু সোহেল  এর মত চৌকস এপিএস  ছিলেন  আর স্কাউটস "র জাতীয় কমিটির ট্রেজার সেই  সোহেলই  বর্তমানে ড. সোহল শিক্ষা মন্ত্রী ড. মিলনের পিএস এর দায়িত্ব পালন করেন।   


উল্লেখ্য যে, স্কাউটস জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান  মুখ্য সচিব এবং উপদেষ্টা হলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব, উপদেষ্টা  জন প্রশাসন সচিব। এ ছাড়া ও  বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের নির্বাচিত সম্পাদক ড. সোহেল। 


২০২৪ এর গনঅভ্যুথানের পর অন্তর্বর্তী কালীন সরকার মাউশির পরিচালক পদে নিযুক্ত করেন ড. সোহেল কে।  


 এর পূর্বে  পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ড. সোহেল  বিভিন্ন নির্যাতনের সিকারহন। ২০০৯ সালে তাকে ও এস ডি, তারপর দিনাজপুর, ভােলা, জামালপুর  ও মাদারগন্জে হয়রানি মূলক বদলী করে।  এমনকি ঢাকায় ঢোকার আবেদন করারও সুযোগটুকু দেয়নি সরকার তাকে।  শিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বর্তমান সরকারে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পাবার পর, ড.মইনুদ্দীন খান সোহেলকে পি.এস. হিসেবে নিযুক্ত করেন।বিগত ১৭/১৮ বছর সোহেল চাকুরীতে নানান হয়রানির পরও পি.এইচ.ডি. সম্পন্ন করেন এবং তার পেশাদারিত্ব বজায় রাখেন। বিসিএস  সাধারণ  শিক্ষা ক্যাডার( ১৯০০০ সদস্য)  এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ড. সোহেল।  ধারণা করা খুবই প্রাসঙ্গিক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেহেতু দেশের প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত দেখাশোনা করে,নিয়ন্ত্রণ করে এবং উন্নয়ন-অগ্রগতির কার্যক্রম চালায়, কাজেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে একজন সুযোগ্য ডক্টরেট ডিগ্রী প্রাপ্ত মন্ত্রীর সাথে পি.এস. হিসেবে একজন ডক্টরেট ডিগ্রী প্রাপ্ত ব্যক্তিকেই মানায়।


শিক্ষা ক্যাডারের নেতা  ড. সোহেলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি আগেও উত্থাপিত হয়নি, এখনও তার বিরুদ্ধে কোন রকম অভিযোগ উত্থাপিত হওয়া অপ্রাসঙ্গিক বলে অনেকেই মনে করেন।  সরকারের দু-মাস অতিক্রান্ত না হতেই? কারা উত্থাপিত করছে সোহেলর বিরুদ্ধে অভিযোগ ? সরকার এবং শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি নষ্টের উদ্দেশ্য নিয়ে কি সোহেলকেও টার্গেট করা হচ্ছে?  শিক্ষামন্ত্রীর সদ্য সাবেক  পি.এস. বর্তমানে  শিক্ষা অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সোহেলের যোগ্যতার কোন ঘাটতি নেই বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।  তাহলে কারা করছে সোহেলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত এই অপপ্রচার? শিক্ষার  উন্নয়ন, শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার  স্বার্থে ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক সংস্কারের স্বার্থে  এসব অপপ্রচার বন্ধ করা উচিত বলে রাজনৈতিক সচেতন মহল  মনে করেন।

৩ ঘন্টা আগে সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন