নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৫৬ প্রার্থী। আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে ৩২ জনের। আর ৬ জনের প্রার্থিতা অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
রোববার দিনভর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করে রিটানিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল আবেদনের শুনানি হয় নির্বাচন কমিশনে। প্রথম দিনে প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়া ৫৬ জন প্রার্থিতা ফেরত পান।
৫ ডিসেম্বর আপিল শুরু হওয়ার পর
রোববার ১০০ প্রার্থীর আপিল শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ছয়জন অনুপস্থিত থাকায় ৯৪ প্রার্থীর শুনানি হয়।
এদিন সকাল ১০টায় আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এ আপিল শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে প্রার্থীদের।
আজ আপিলে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে মাহি বি চৌধুরী, পাবনায় ডলি সায়ন্তনী, বগুড়ায় হিরো আলম।
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাসিরুল ইসলাম খান, নোয়াখালী-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালেবুজ্জামান ও খুলনা-৪ আসনে তৃণমূল বিএনপির কো-চেয়ারম্যান শেখ হাবিবুর রহমান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এছাড়া টাঙ্গাইল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার, যশোর-২ আসনের এস এম হাবিবুর রহমান, জামালপুর-২ আসনের জিয়াউল হক, চট্টগ্রাম-৮ আসনের আবদুস সালাম, বরগুনা-১ আসনের খলিলুর রহমান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
বাতিল হয়েছে টাঙ্গাইল-৫ স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবিব, জামালপুর-২ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী আবদুল হালিম মন্ডল, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহানা তাহমিনা, চট্টগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ ইমরানের প্রার্থিতা।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন মুন্সিগঞ্জ-২ মো. বাছু শেখ, যশোর-৩ মোহিত কুমার নাথ, খুলনা-৪ এস, এম, মোর্ত্তজা রশিদী দারা, যশোর-৬ হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, ঢাকা-১২ খোরশেদ আলম খুশু, টাঙ্গাইল-৬ কাজী এটিএম আনিছুর রহমান বুলবুল, রংপুর-২ মো. জিল্লুর রহমান, কুষ্টিয়া-১ মহা. ফিরোজ আল মামুন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
১৪ দিন আগে মঙ্গলবার, মার্চ ২৪, ২০২৬
